শিরোনাম :
-->
English
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
ঢাকা, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮ ইং

প্রচ্ছদ » জাতীয় !!

মাদ্রাসায় বিস্ফোরণে এক ছাত্রের মৃত্যু

দুই মামলা, হেফাজতের ইজাহারুল প্রধান আসামি

নিজস্ব প্রতিবেদক

08 Oct 2013 02:53:52 PM Tuesday BdST

 

হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী পরিচালিত চট্টগ্রামের লালখান বাজারে জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে গতকাল সোমবারের বিস্ফোরণের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলাতেই মুফতি ইজহারুল ও তাঁর ছেলে হারুন ইজাহারকে প্রধান আসামি  করা হয়েছে।
এদিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনায় গতকাল মধ্যরাতে আহত হাবিবুর রহমান (২০) নামে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দারুল ইফতা (ফতুয়া) বিভাগে পড়তেন।
নগরের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আজ দুপুর ১২টার দিকে দুটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষ হয়। এসআই গোলাম নেওয়াজ বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় ইজাহারুলকে এক নম্বর আসামি ও তাঁর ছেলে হারুনকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নামের উল্লেখ করে অজ্ঞাত অনেককে আসামি করা হয়েছে।
আর অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় মুফতি ইজহারুল ও তাঁর ছেলে হারুন ইজাহারকে আসামি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে দুজনেই পলাতক।

ওসি আরও জানান, আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত  অবস্থায় একটি হাত বোমা পাওয়া গেছে। আলামত সংগ্রহের জন্য ডিবির বোমা বিশেষজ্ঞ দল সেখানে কাজ করে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের বিভাগীয় প্রধান মৃণাল কান্তি দাস প্রথম আলো ডটকমকে জানান, চিকিত্সাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হাবিবুর মারা যান। তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। মৃণাল কান্তি আরও জানান, আহত আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে তার নাম নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।

গতকাল বেলা ১১টার দিকে চারতলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই কক্ষের জানালা উড়ে যায়। পুলিশ সন্ধ্যার পর তল্লাশি চালিয়ে ওই কক্ষ থেকে হাতে তৈরি তিনটি তাজা বোমা এবং লোহার পাইপ, মার্বেলসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন উপাদান উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আহত চারজনসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে হাবিবুরের মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. শহীদুল্লাহ গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বোমা তৈরির সময় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আহতরা বেসরকারি হাসপাতালে লুকিয়ে চিকিত্সা নিচ্ছিল। আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের মধ্যে নুরুন্নবী নামে পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের একজন ছাত্রও আছে।’

মাদ্রাসার ভেতরেই এই মাদ্রাসার পরিচালক ও অধ্যক্ষ মুফতি ইজাহারুলের বাসা। আর যে কক্ষে বিস্ফোরণ হয়েছে, তার পাশের কক্ষে থাকেন ইজাহারের ছেলে হারুন ইজাহার। পুলিশ সন্ধ্যার পর তল্লাশি চালিয়ে ইজাহারের বাসা থেকে ১৮ বোতল অ্যাসিডজাতীয় পদার্থ উদ্ধার করে। দিনভর মুফতি ইজাহার মাদ্রাসায় বসে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললেও বিকেলে তল্লাশি অভিযান শুরুর পর তাঁকে আর দেখা যায়নি।

মুফতি ইজাহারের দাবি, ছেলেদের ল্যাপটপে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তা থেকে কেরোসিনের চুলায় আগুন লেগে বড় বিস্ফোরণ হয়েছে। মাদ্রাসার দারুল ইফতার শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, আইপিএস বিস্ফোরণ হয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে আরেক ছাত্র সাজ্জাদুল কবির বলেন, ওখানে কোনো আইপিএস ছিল না।

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন

পাঠকের মন্তব্য (0)

সর্বশেষ সংবাদ

সংবাদ আর্কাইভ

নামাজের সময়সূচী

ওয়াক্ত সময় শুরু
ফজর ০৩:৫৬
জোহর ১২:০৬
আসর ১৫:২৭
মাগরিব ১৮:৫০
এশা ২০:১৬
সূর্যোদয় ০৫:২২
সূর্যাস্ত ১৮:৫০
তারিখ ১৬ জুলাই ২০১৮